ঢাকা ০৪:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাতৃত্বকালীন ভাতা পেতে যা প্রয়োজন

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট ০৩:৫৪:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 13
গর্ভকালীন সময়ে মা ও শিশুর পুষ্টি ও আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকারের ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’র আওতায় মাতৃত্বকালীন ভাতা দেয়া হচ্ছে। নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে নির্বাচিত নারীরা সর্বোচ্চ ৩৬ মাস পর্যন্ত প্রতি মাসে ৮৫০ টাকা করে এই সহায়তা পাবেন।
ভাতার অর্থ সরাসরি উপকারভোগীর ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে। তবে এই সুবিধা পেতে আবেদনকারীদের কয়েকটি নির্দিষ্ট যোগ্যতা পূরণ করতে হবে।
 
কারা আবেদন করতে পারবেন
মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য আবেদন করতে হলে আবেদনকারীর বয়স ২০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে হতে হবে। প্রথম অথবা দ্বিতীয়বারের গর্ভধারণের ক্ষেত্রে এই ভাতার জন্য আবেদন করা যাবে।
এ ছাড়া আবেদন করার নির্ধারিত সময়ে গর্ভবতী নারীকে গর্ভাবস্থার ৪ থেকে ৬ মাসের মধ্যে থাকতে হবে। আবেদনকারীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের গর্ভবতী নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রতিবন্ধী, দুস্থ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা গর্ভবতী নারীরাও অগ্রাধিকার পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
 
মাসে কত টাকা পাওয়া যাবে
নির্বাচিত উপকারভোগীদের প্রতি মাসে ৮৫০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হয়। নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী একজন উপকারভোগী সর্বোচ্চ ৩৬ মাস পর্যন্ত এই আর্থিক সহায়তা পেতে পারেন।
সে হিসাবে পুরো ৩৬ মাস ভাতা পেলে একজন নারী মোট ৩০ হাজার ৬০০ টাকা পাবেন।
 
আবেদনের জন্য যেসব কাগজ লাগবে
মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য আবেদন করতে কয়েকটি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। এগুলো হলো—
১. জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি
২. নাগরিকত্ব সনদ
৩. তিন কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
৪. উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা অথবা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার দেওয়া গর্ভধারণের প্রত্যয়নপত্র
যেভাবে আবেদন করবেন
মাতৃত্বকালীন ভাতার আবেদন ফরম ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা অথবা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করা যাবে। এছাড়া অনলাইনেও আবেদন করার সুযোগ রয়েছে।
আবেদনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র জমা দেয়ার পর স্থানীয় পর্যায়ে সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হবে। যাচাই শেষে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হলে উপকারভোগীর নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে ভাতার অর্থ পাঠানো হবে।
এদিকে, মাতৃত্বকালীন ভাতা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে কেউ অর্থ দাবি করলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ভাতা পাওয়ার জন্য কোনো দালাল বা মধ্যস্থতাকারীকে টাকা না দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর। কেউ এ ধরনের অর্থ দাবি করলে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতেও বলা হয়েছে।
ট্যাগ

Please Share This Post in Your Social Media

মাতৃত্বকালীন ভাতা পেতে যা প্রয়োজন

আপডেট ০৩:৫৪:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গর্ভকালীন সময়ে মা ও শিশুর পুষ্টি ও আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকারের ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’র আওতায় মাতৃত্বকালীন ভাতা দেয়া হচ্ছে। নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে নির্বাচিত নারীরা সর্বোচ্চ ৩৬ মাস পর্যন্ত প্রতি মাসে ৮৫০ টাকা করে এই সহায়তা পাবেন।
ভাতার অর্থ সরাসরি উপকারভোগীর ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে। তবে এই সুবিধা পেতে আবেদনকারীদের কয়েকটি নির্দিষ্ট যোগ্যতা পূরণ করতে হবে।
 
কারা আবেদন করতে পারবেন
মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য আবেদন করতে হলে আবেদনকারীর বয়স ২০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে হতে হবে। প্রথম অথবা দ্বিতীয়বারের গর্ভধারণের ক্ষেত্রে এই ভাতার জন্য আবেদন করা যাবে।
এ ছাড়া আবেদন করার নির্ধারিত সময়ে গর্ভবতী নারীকে গর্ভাবস্থার ৪ থেকে ৬ মাসের মধ্যে থাকতে হবে। আবেদনকারীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের গর্ভবতী নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রতিবন্ধী, দুস্থ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা গর্ভবতী নারীরাও অগ্রাধিকার পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
 
মাসে কত টাকা পাওয়া যাবে
নির্বাচিত উপকারভোগীদের প্রতি মাসে ৮৫০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হয়। নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী একজন উপকারভোগী সর্বোচ্চ ৩৬ মাস পর্যন্ত এই আর্থিক সহায়তা পেতে পারেন।
সে হিসাবে পুরো ৩৬ মাস ভাতা পেলে একজন নারী মোট ৩০ হাজার ৬০০ টাকা পাবেন।
 
আবেদনের জন্য যেসব কাগজ লাগবে
মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য আবেদন করতে কয়েকটি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। এগুলো হলো—
১. জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি
২. নাগরিকত্ব সনদ
৩. তিন কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
৪. উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা অথবা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার দেওয়া গর্ভধারণের প্রত্যয়নপত্র
যেভাবে আবেদন করবেন
মাতৃত্বকালীন ভাতার আবেদন ফরম ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা অথবা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করা যাবে। এছাড়া অনলাইনেও আবেদন করার সুযোগ রয়েছে।
আবেদনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র জমা দেয়ার পর স্থানীয় পর্যায়ে সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হবে। যাচাই শেষে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হলে উপকারভোগীর নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে ভাতার অর্থ পাঠানো হবে।
এদিকে, মাতৃত্বকালীন ভাতা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে কেউ অর্থ দাবি করলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ভাতা পাওয়ার জন্য কোনো দালাল বা মধ্যস্থতাকারীকে টাকা না দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর। কেউ এ ধরনের অর্থ দাবি করলে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতেও বলা হয়েছে।