ঢাকা ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বগুড়ায় হাফেজ হৃদয় হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড,৩ জনের যাবজ্জীবন

বগুড়া প্রতিনিধি:
  • আপডেট ০৬:৩০:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
  • / 27

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":2,"adjust":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

বগুড়ায় হাফেজ হৃদয় হত্যা মামলায় ২ জনের মৃ
বগুড়ার বহুল আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর হাফেজ রাকিবুল হাসান হৃদয় হত্যা মামলায় দুই প্রধান আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে ১১ টার দিকে  বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক কৌশিক আহমেদ খোন্দকার এই রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- বগুড়া সদর উপজেলার ধাওয়াপাড়া এলাকার টিয়া মিয়ার ছেলে সাদ্দাম হোসেন স্বাধীন (২৩) ও আসলামের ছেলে মো. রাব্বি (২৪)। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- একই এলাকার মমতাজের ছেলে আশিক (২২), মনু মিয়ার ছেলে মো. শাকিল (২৩) ও সাফির ছেলে মতিন (২৫)। রায়ে যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হয়েছে।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০২১ সালের ২০ জুলাই সন্ধ্যায় বগুড়া সদরের কৈপাড়া এলাকায় হাফেজ হৃদয়ের দোকানে গিয়ে সাদ্দাম হোসেন স্বাধীন ও তার সাঙ্গোপাঙ্গরা মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে। হৃদয় চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে আসামিরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। ছেলেকে বাঁচাতে তার বাবা এগিয়ে এলে তাকেও ছুরিকাঘাত করে জখম করা হয়।
পরবর্তীতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন মারা যান হাফেজ হৃদয়। ঘটনার পর নিহতের মা আয়েশা সিদ্দিকা বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশি তদন্ত শেষে পাঁচজনকে সরাসরি অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়।
​রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) এস এম মাসুদুর রহমান জানান, পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আসামিদের অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত এ ঐতিহাসিক রায় দেন। ন্যায়বিচার পাওয়ায় রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহতের পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী।
ট্যাগ

Please Share This Post in Your Social Media

বগুড়ায় হাফেজ হৃদয় হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড,৩ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট ০৬:৩০:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
বগুড়ায় হাফেজ হৃদয় হত্যা মামলায় ২ জনের মৃ
বগুড়ার বহুল আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর হাফেজ রাকিবুল হাসান হৃদয় হত্যা মামলায় দুই প্রধান আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে ১১ টার দিকে  বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক কৌশিক আহমেদ খোন্দকার এই রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- বগুড়া সদর উপজেলার ধাওয়াপাড়া এলাকার টিয়া মিয়ার ছেলে সাদ্দাম হোসেন স্বাধীন (২৩) ও আসলামের ছেলে মো. রাব্বি (২৪)। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- একই এলাকার মমতাজের ছেলে আশিক (২২), মনু মিয়ার ছেলে মো. শাকিল (২৩) ও সাফির ছেলে মতিন (২৫)। রায়ে যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হয়েছে।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০২১ সালের ২০ জুলাই সন্ধ্যায় বগুড়া সদরের কৈপাড়া এলাকায় হাফেজ হৃদয়ের দোকানে গিয়ে সাদ্দাম হোসেন স্বাধীন ও তার সাঙ্গোপাঙ্গরা মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে। হৃদয় চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে আসামিরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। ছেলেকে বাঁচাতে তার বাবা এগিয়ে এলে তাকেও ছুরিকাঘাত করে জখম করা হয়।
পরবর্তীতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন মারা যান হাফেজ হৃদয়। ঘটনার পর নিহতের মা আয়েশা সিদ্দিকা বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশি তদন্ত শেষে পাঁচজনকে সরাসরি অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়।
​রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) এস এম মাসুদুর রহমান জানান, পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আসামিদের অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত এ ঐতিহাসিক রায় দেন। ন্যায়বিচার পাওয়ায় রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহতের পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী।