ঢাকা ১২:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিগ্রি-সনদ ছাড়াই চিকিৎসা, শেরপুরে ভুয়া চিকিৎসককে জরিমানা-কারাদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট ০৯:৪৭:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • / 33

 

বগুড়ার শেরপুর পৌরসভার স্যানালপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডিগ্রি ও সনদবিহীন এক কথিত চিকিৎসককে আটক করা হয়েছে। পরে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে শহরের স্যানালপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। আটক ব্যক্তি সুনীল কুমার বিশ্বাস, তিনি রামচন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে।

অভিযোগ রয়েছে, সুনীল কুমার বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে কোনো স্বীকৃত চিকিৎসা ডিগ্রি বা সনদ ছাড়াই রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। তিনি ব্যবস্থাপত্র প্রদান, নিষিদ্ধ ওষুধ প্রেসক্রিপশন এবং শল্য চিকিৎসার মতো কার্যক্রমও পরিচালনা করছিলেন।

অভিযানে তার চেম্বারে তল্লাশি চালিয়ে নিষিদ্ধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের পাশাপাশি অপারেশনে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

পরে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০ অনুযায়ী পরিচালিত মোবাইল কোর্টে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা এবং সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আমিরুল ইসলাম। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইদুজ্জামান হিমু।

অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় শেরপুর থানা পুলিশ ও বাংলাদেশ আনসার বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ

Please Share This Post in Your Social Media

ডিগ্রি-সনদ ছাড়াই চিকিৎসা, শেরপুরে ভুয়া চিকিৎসককে জরিমানা-কারাদণ্ড

আপডেট ০৯:৪৭:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

 

বগুড়ার শেরপুর পৌরসভার স্যানালপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডিগ্রি ও সনদবিহীন এক কথিত চিকিৎসককে আটক করা হয়েছে। পরে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে শহরের স্যানালপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। আটক ব্যক্তি সুনীল কুমার বিশ্বাস, তিনি রামচন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে।

অভিযোগ রয়েছে, সুনীল কুমার বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে কোনো স্বীকৃত চিকিৎসা ডিগ্রি বা সনদ ছাড়াই রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। তিনি ব্যবস্থাপত্র প্রদান, নিষিদ্ধ ওষুধ প্রেসক্রিপশন এবং শল্য চিকিৎসার মতো কার্যক্রমও পরিচালনা করছিলেন।

অভিযানে তার চেম্বারে তল্লাশি চালিয়ে নিষিদ্ধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের পাশাপাশি অপারেশনে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

পরে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০ অনুযায়ী পরিচালিত মোবাইল কোর্টে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা এবং সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আমিরুল ইসলাম। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইদুজ্জামান হিমু।

অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় শেরপুর থানা পুলিশ ও বাংলাদেশ আনসার বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।