বগুড়ার নন্দীগ্রামে শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরে নিরাপত্তার সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক ও রাজনৈতিক দলের নেতারা। উৎসবের দিনগুলোতে প্রতিটি পূজামণ্ডপে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে উন্মুক্ত আলোচনা করে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। উপজেলার ৪৮টি পূজামণ্ডপ পর্যবেক্ষণ করছেন বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেন। তাঁর নির্দেশনায় সার্বিক সহযোগিতা করছে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ সংগঠন।
গতকাল মঙ্গলবার দুই ইউনিয়নের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন নন্দীগ্রাম উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি ও উপজেলা যুবদল সংগঠক আব্দুর রউফ রুবেল। সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন। তিনি হাটুয়া উত্তরপাড়া, হাটুয়া দক্ষিণপাড়া, গুন্দইল মধ্যপাড়া, গুন্দইল উত্তরপাড়া, দাসগ্রাম, দামুয়াপাড়া ও ধুন্দার এলাকার পূজামণ্ডপে আর্থিক সহায়তা দেন।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মিষ্টি বিনিময় দৃশ্য দৃষ্টান্ত গড়েছে। সাংবাদিক হিসেবে সত্য, ন্যায়, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে সাম্য, সম্প্রীতি ও জনকল্যাণে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন আব্দুর রউফ রুবেল। পূজামণ্ডপে আসা শিশুদের মাঝে চকলেট বিতরণ করা হয়।
এসময় যুবদল নেতা সামিউর রহমান তুষার, আব্দুল মান্নান, নন্দীগ্রাম উপজেলা প্রেসক্লাব যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাসেল মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহীন আলম সাজু, দপ্তর সম্পাদক সালমির ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী ও জনগণের সমন্বিত পরিকল্পনায় প্রতিটি পূজামণ্ডপ এলাকাজুড়ে নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন আব্দুর রউফ রুবেল। বক্তব্যে তিনি বলেন, নন্দীগ্রাম উপজেলা সকল ধর্মের মানুষের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ এবং সহাবস্থানের আবাসভূমি। পূজামণ্ডপে ঘুমহীন প্রহরীর মত নজর রাখছি। আমার সঙ্গে একঝাঁক সাংবাদিক এখানে এসে নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ করছে।